সর্বশেষ...

বড় মহেশখালী নাইজ্যর গোষ্ঠী ২ গ্রুপের দিন ব্যাপী লবণ মাঠ দখলে অস্ত্রের মহড়া-আহত ৫

 

আবুল বশর পারভেজ – মহেশখালী
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালীর নাইজ্যর গোষ্ঠীর ২ গ্রুপের মধ্যে লবণ মাঠ দখল নিয়ে দিন ব্যাপী অস্ত্রের মহড়া।

২ পক্ষের গুলি বিনিময়ে কালে এক নারী সহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয় আতংক। মহেশখালীর বড় মহেশখালীতে লবণের মাঠ দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে । এতে স্থানীয় নাইজ্যার গোস্টির ২গ্রুপে আলা উদ্দিন ও আব্দুল গফুর গ্রুপের নারী-পুরুষের ৫জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরো বেশ কয়েকজন।

রবিবার (২১ এপ্রিল) ভোর থেকে ২ গ্রুপের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা জড়ো হতে থাকে ২পক্ষের লবণ মাঠে। সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশের বিশেষ টিম ঘটনাস্থের ফারিকুলের ভাঙ্গার মুখ নামক স্থানে অবস্থান নেয়। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় উভয়পক্ষের আহতরা হলেন- স্থানীয় মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র আনচার উদ্দিন (৪০), ফকিরাকাটা গ্রামের মোক্তার মিয়ার স্ত্রী মিনহার বেগম (৩০), কবির আহমদের স্ত্রী সোনা খাতুন (৪৫) স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বড় মহেশখালীর ফকিরাকাটার পশ্চিমে নাইজ্যর গোষ্টির নিয়ন্ত্রণে বেশ কয়েকটি চিংড়ী ঘের ও লবণ মাঠ দখলে ছিল।

আব্দুল গফুর, হাজী কবির আহাম্মদ এর পুত্র আমান উল্লাহ, হোছন ও সোনা আলীর সন্তানরা কিছু কিছু জমি লাগিয়ত হিসাবে নিয়প আর কিছু কিছু জমি জবর দখল করে চাষাবাদ করত।
বংশের ভিতরে একেক জন এক এক নেতার আর্শিবাদপুস্ট হয়ে অন্যজনের জমি ও সরকারী জমির নিয়ন্ত্রণে রাখে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ নাইজ্যর গোষ্টর ভিতরে ২ভাগে বিভক্ত হয়ে শুরু হয় পরস্পরের জমি ও কবণ মাঠ নিয়ন্ত্রণ। একাধিকবার ঘটে দাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা।

গোষ্ঠী কেন্দ্রীক ঘটনাকে পুজি করে একটি রাজনৈতি গোষ্ঠী ও প্রশাসনের কিছু লোক বেশ ফায়দা নিচ্ছে।এ বিরোধ দিন দিন চরম আকার ধারন করে। দখলে নিতে চাওয়া লবণ মাঠের সিংহভাগ সরকারী খাঁস জমি। দখল বেদখল নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান শরীফ বাদশার পক্ষের আব্দুল গফুর, কবির হাজীর পুত্র যুবদল নেতা আমান উল্লাহ আমান ও সোনা আলীর পুত্র আলা উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এতে উভয় পক্ষের ৫ জনেরও বেশি আহত হন। মূলত দুই পক্ষ জায়গা বণ্টনে বনিবনা না হওয়ায় এ সংঘর্ষ হয়। আহত কয়ক জনের নাম পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক ২জনের নাম পাওয়া যায়নি। তবে অনেক পেশাদার সন্ত্রাসী আহত হলেও মামলার পলাতক আসামী হওয়ায় তারা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসনি। মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, গুরুত্বর জখমীদের ককসবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

নিউজ পোর্টাল প্রয়োজন?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

জনপ্রিয় সংবাদ...

বড় মহেশখালী নাইজ্যর গোষ্ঠী ২ গ্রুপের দিন ব্যাপী লবণ মাঠ দখলে অস্ত্রের মহড়া-আহত ৫

 

আবুল বশর পারভেজ – মহেশখালী
মহেশখালী উপজেলার বড় মহেশখালীর নাইজ্যর গোষ্ঠীর ২ গ্রুপের মধ্যে লবণ মাঠ দখল নিয়ে দিন ব্যাপী অস্ত্রের মহড়া।

২ পক্ষের গুলি বিনিময়ে কালে এক নারী সহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্র স্থানীয়দের মাঝে সৃষ্টি হয় আতংক। মহেশখালীর বড় মহেশখালীতে লবণের মাঠ দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে । এতে স্থানীয় নাইজ্যার গোস্টির ২গ্রুপে আলা উদ্দিন ও আব্দুল গফুর গ্রুপের নারী-পুরুষের ৫জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত আরো বেশ কয়েকজন।

রবিবার (২১ এপ্রিল) ভোর থেকে ২ গ্রুপের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা জড়ো হতে থাকে ২পক্ষের লবণ মাঠে। সংবাদ পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশের বিশেষ টিম ঘটনাস্থের ফারিকুলের ভাঙ্গার মুখ নামক স্থানে অবস্থান নেয়। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় উভয়পক্ষের আহতরা হলেন- স্থানীয় মৃত বাদশা মিয়ার পুত্র আনচার উদ্দিন (৪০), ফকিরাকাটা গ্রামের মোক্তার মিয়ার স্ত্রী মিনহার বেগম (৩০), কবির আহমদের স্ত্রী সোনা খাতুন (৪৫) স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বড় মহেশখালীর ফকিরাকাটার পশ্চিমে নাইজ্যর গোষ্টির নিয়ন্ত্রণে বেশ কয়েকটি চিংড়ী ঘের ও লবণ মাঠ দখলে ছিল।

আব্দুল গফুর, হাজী কবির আহাম্মদ এর পুত্র আমান উল্লাহ, হোছন ও সোনা আলীর সন্তানরা কিছু কিছু জমি লাগিয়ত হিসাবে নিয়প আর কিছু কিছু জমি জবর দখল করে চাষাবাদ করত।
বংশের ভিতরে একেক জন এক এক নেতার আর্শিবাদপুস্ট হয়ে অন্যজনের জমি ও সরকারী জমির নিয়ন্ত্রণে রাখে। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হঠাৎ নাইজ্যর গোষ্টর ভিতরে ২ভাগে বিভক্ত হয়ে শুরু হয় পরস্পরের জমি ও কবণ মাঠ নিয়ন্ত্রণ। একাধিকবার ঘটে দাওয়া পাল্টা দাওয়ার ঘটনা।

গোষ্ঠী কেন্দ্রীক ঘটনাকে পুজি করে একটি রাজনৈতি গোষ্ঠী ও প্রশাসনের কিছু লোক বেশ ফায়দা নিচ্ছে।এ বিরোধ দিন দিন চরম আকার ধারন করে। দখলে নিতে চাওয়া লবণ মাঠের সিংহভাগ সরকারী খাঁস জমি। দখল বেদখল নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান শরীফ বাদশার পক্ষের আব্দুল গফুর, কবির হাজীর পুত্র যুবদল নেতা আমান উল্লাহ আমান ও সোনা আলীর পুত্র আলা উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এতে উভয় পক্ষের ৫ জনেরও বেশি আহত হন। মূলত দুই পক্ষ জায়গা বণ্টনে বনিবনা না হওয়ায় এ সংঘর্ষ হয়। আহত কয়ক জনের নাম পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিক ২জনের নাম পাওয়া যায়নি। তবে অনেক পেশাদার সন্ত্রাসী আহত হলেও মামলার পলাতক আসামী হওয়ায় তারা চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসনি। মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, গুরুত্বর জখমীদের ককসবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকান্ত চক্রবর্তী বলেন, আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

নিউজ পোর্টাল প্রয়োজন?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বশেষ...

জনপ্রিয় সংবাদ...