
ডেস্ক রিপোর্ট, সব সময়।
মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের মুকবেকী ঘোনাপাড়ায় জায়গা জবর দখল নিতে রাতের আঁধারে অলি আহমদ এর নেতৃত্বে সন্ত্রাসী স্ত্রী ও পুত্র বাহিনি নিয়ে জালাল আহমদের দীর্ঘ বছরের পৈত্রিক ওয়ারিশী প্রাপ্ত দখলীয় নাল জায়গা উচ্ছেদ করতে হামলা চালিয়ে জবর দখলের অভিযোগ উঠেছে।
হামলায় আহতরা হলেন, রবি উল হাসান, জালাল আহাম্মদ মহেশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও গুরুত্ব আহত মহিউদ্দিন’কে উন্নত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
১৩ ই অক্টোবর আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ঘোনাপাড়াস্থ ছালামত উল্লাহ দোকানের সামনে এঘটনা ঘটে। এঘটানায় ভুক্তভোগী জালাল আহাম্মদ বাদী হয়ে অলি আহমদ’কে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে সাথে অজ্ঞতানাম ২/৩ জনকে আসামী করে মহেশখালী দায়ত্বরত মহেশখালী থানার অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন।
অভিযোগে সুত্রে জানাযায়, দীর্ঘদিন ধরে আমার পৈত্রিক ওয়ারিশী প্রাপ্ত জায়গা থেকে অলি আহমদ’কে মাত্র ৫০ শতক জমি বিক্রি করি, সে সুবাদে
আমার পৈত্রিক ওয়ারিশী প্রাপ্ত আরও ১৬০ শতকের অধিক জমি চিরতরে উচ্ছেত করার জন্য জবর দখলের অপচেষ্টার মাধ্যমে নানা ধরনের ঘটনা সংঘটিত করে আর্থিক-মানসিক হয়রানি করে আসছে এবং এখনো চলমান রয়েছে। এবিষয়ে স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চলমান রয়েছে।
ভুক্তভোগী জালাল আহমদ বলেন, তারা আমার দলীলপত্র কোন তোয়াক্কা না করে বিচার সালিসে উপস্থিত না হইয়ে উল্টো আমার পরিবারের উপর বেশ কয়েকবার হামলা করে এমনকি রক্তপাতের মত ঘটনা করতে থাকে প্রতিনিয়ত।
আরো বলেন, বর্তমান চলমান দেশের কোটা সংষ্কারের আন্দোলনের অরাজক পরিস্থিতির সুযোগে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তাদের সন্ত্রাসী বাহিনি নিয়ে ৭টার দিকে ছালামত উল্লাহ দোকানের সামনে দেখিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ, দেশীয় তৈরি অগ্নেয় অস্ত্র নিয়ে এবং তার হাতে থাকা দারালো কিরিচ দিয়ে আমাদেরকে কুপিয়ে মারাত্বক ভাবে আঘাত করে, প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তার ছেলে সস্ত্রাসী বাহিনিরা আমাদের সবাইকে পিটিয়ে, কুপিয়ে বিভিন্ন ভাবে আঘাত করে। পরে আমাদের সু-চিৎকার শুনে বাজারের আশপাশ্বে লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে য়ায়। স্থানীয়রা আমাদেরকে উদ্ধার করে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করান।
বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহনীতায় ভোগছি। তিনি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের হস্তরক্ষপ কামনা করেন।
এবিষয়ে শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী মোবাইল ফোনে জানালে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন।