সর্বশেষ...

মহেশখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার বসতভিটা উচ্ছেদের পায়তারা

ডেস্ক রিপোর্ট, সব সময়।

হেশখালী উপজেলার শাপলাপুরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে মালিকানা দ্বন্দ্বেই প্রকৃত মালিক কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ এর বসতভিটার জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ জানান.. বংশপরম্পরাক্রমে আমরা দিনেশপুর ১২ নং পাহাড়ি মৌজায় দিয়ারা খতিয়ান-১৪ দাগ-৭৬ বিএস দাগ ৬৫১১, ৬৫১২ ও ৬৫১৩ এ ৩টি দাগের অন্দরে বিএস দাগের অনুযায়ী ৭ শতক জমি নিয়ে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সঙ্গে বিরোধে দিয়ারা দাগ অনুযায়ী ২২ শতক জমি দাবীতে হয়রানি ও জোরপূর্বক জবার দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ।

ইতিপূর্বে স্থানীয় কিছু চিহ্নত ভূমিদস্যুরা পাহাড়ি শাপলাপুর, দিনেশপুর, নুনাছড়ি ও মুখবেকি’সহ এ ৪টি মৌজা হতে শুধুমাত্র দিনেশপুরে পৈতৃক ভোগদখলী বসতভিটা রেকর্ড অনুযায়ী হাল সনের খাজনাও দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে ভূমিদস্যুরা বিএস ৭ শতক রেকর্ডির জমি বিরুদ্ধে সৃজিত দিয়ারা ২২ শতক রেকর্ডের নামে ভাঙ্গিয়ে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালাচ্ছে। যা পাহাড়ি জমি দিয়ারা রেকর্ড অযৌক্তিক, আইন পরিপন্থী। দিয়ারা রেকর্ড হয় নদী তীববর্তী জমি।

কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ আরো জানান
বৃদ্ধ বয়সে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে নিজের বসত ভিটায় থাকতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ চক্রটি আমার পরিবারের মিথ্যা দিয়ারা রেকর্ড তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী বলেন, বিবাদমান জমিতে আব্দুস সাত্তার আজাদের পরিবার ভোগদখলে বসতভিটায় রয়েছে। ১২ নং খাস জমি নিয়ে আদালতের বাইরে আর কিছু বলার নাই।

নিউজ পোর্টাল প্রয়োজন?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

জনপ্রিয় সংবাদ...

মহেশখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার বসতভিটা উচ্ছেদের পায়তারা

ডেস্ক রিপোর্ট, সব সময়।

হেশখালী উপজেলার শাপলাপুরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে মালিকানা দ্বন্দ্বেই প্রকৃত মালিক কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ এর বসতভিটার জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ জানান.. বংশপরম্পরাক্রমে আমরা দিনেশপুর ১২ নং পাহাড়ি মৌজায় দিয়ারা খতিয়ান-১৪ দাগ-৭৬ বিএস দাগ ৬৫১১, ৬৫১২ ও ৬৫১৩ এ ৩টি দাগের অন্দরে বিএস দাগের অনুযায়ী ৭ শতক জমি নিয়ে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের সঙ্গে বিরোধে দিয়ারা দাগ অনুযায়ী ২২ শতক জমি দাবীতে হয়রানি ও জোরপূর্বক জবার দখলের অপচেষ্টার অভিযোগ।

ইতিপূর্বে স্থানীয় কিছু চিহ্নত ভূমিদস্যুরা পাহাড়ি শাপলাপুর, দিনেশপুর, নুনাছড়ি ও মুখবেকি’সহ এ ৪টি মৌজা হতে শুধুমাত্র দিনেশপুরে পৈতৃক ভোগদখলী বসতভিটা রেকর্ড অনুযায়ী হাল সনের খাজনাও দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে ভূমিদস্যুরা বিএস ৭ শতক রেকর্ডির জমি বিরুদ্ধে সৃজিত দিয়ারা ২২ শতক রেকর্ডের নামে ভাঙ্গিয়ে বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালাচ্ছে। যা পাহাড়ি জমি দিয়ারা রেকর্ড অযৌক্তিক, আইন পরিপন্থী। দিয়ারা রেকর্ড হয় নদী তীববর্তী জমি।

কৃষি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার আযাদ আরো জানান
বৃদ্ধ বয়সে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে নিজের বসত ভিটায় থাকতে প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ চক্রটি আমার পরিবারের মিথ্যা দিয়ারা রেকর্ড তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক চৌধুরী বলেন, বিবাদমান জমিতে আব্দুস সাত্তার আজাদের পরিবার ভোগদখলে বসতভিটায় রয়েছে। ১২ নং খাস জমি নিয়ে আদালতের বাইরে আর কিছু বলার নাই।

নিউজ পোর্টাল প্রয়োজন?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

সর্বশেষ...

জনপ্রিয় সংবাদ...