
নিজস্ব প্রতিবেদক
মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে ধার নেওয়া পাওনা টাকা তলব-তাগাদায় বাঁশ ব্যবসায়ীর উপর হামলা ও টাকা ফেরত চাওয়াতে উল্টো অন্যায়, অবিচার ও নিপীড়নের
অভিযোগ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জাফর আলমের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেওয়া টাকা, পরিশোধের জন্য বার বার তলব-তাগাদা করতে থাকলেও ক্ষমতাসীন ফরিদুর আলম মেম্বার টাকা দিতে তালবাহানায় প্রতিশোধ প্ররায়ন হয়ে ক্ষতিসাধনের সুযোগ খুঁজিয়া আচ্ছে। এরে জের ধরে আজ মঙ্গলবার ২২ শে অক্টোবর সকালে জাফর আলমের বাঁশের ব্যবসার কাছে গিয়ে পিতা-মাতার নাম ধরিয়া অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজে প্রতিবাদ করায় মুখামুখি হাতাহাতি সংঘর্ষে মোবাইল ও ব্যবসার নগদ অর্থ লুটপাট করে ব্যবসা বন্ধে হত্যার হুমকি ধমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয় গন্যমান্য লোকজনদের অবহিত করায় ক্ষিপ্ত হয়ে পূনরায় বাঁশ বেচতে আসা জাফর আলমের ভাগিনাকেও মারধর করিয়া গুরুত্বর আহত করা হয়েছে।
এঘটনায় মহেশখালী থানায় জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে ইউপি মেম্বার ফরিদুল আলমকে প্রধান আসামি করে ৭ জনে বিরুদ্ধে লিখিত এজাহার দায়ে করেন। তাদের ক্ষমতার অপব্যবহারে উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া’সহ বিভিন্ন গ্রামবাসী।
এদিকে বাঁশ ব্যবসায়ী ও শাপলাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জাফর আলম জানান.. ফরিদুর আলম মেম্বার শাপলাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি দাপটে অপকর্মের নেতৃত্ব দেয় তাঁর পুত্র শাপলাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফয়সাল, তাঁর স্ত্রী শাপলাপুর ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসরাত বেগমের কর্মকান্ডের কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হুমকি ধমকিতে কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে না, আমি আমার পাওনা টাকা ফেরত চাই ও হামলায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
মুঠোফোনে প্রতিনিধি’কে জানান, উপরোক্ত বিষয়ে কথা বলে রাজি হয়নি অভিযুক্ত মেম্বার ফরিদুল আলম।
শাপলাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ইউপি মেম্বার ফরিদুল আলম ও স্বজনদের থেকে পরিত্রান পেতে এলাকাবাসীসহ সচেতনমহল উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।