
সব সময় নিউজ ডেস্ক|
দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর বড় মহেশখালী ইউনিয়নের কৃতি সন্তান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী আকিল বিন তালেব বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্র ঘোষিত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জন সমন্বয়কের অন্যতম একজন। তিনি মহেশখালী আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবু তালেব খাঁন ও শিরীন ফারজানার বড় পুত্র।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একেবারে সম্মুখ সারিতে থেকে রাবিতে আন্দোলন গড়ে তুলেন। আন্দোলনের কঠিন সময়ে ওনার ডেডিকেশন ছিলো অনেক বেশি। এবং আন্দোলন পরবর্তী সুন্দর একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার ভূমিকা আমাদেরকে উৎসাহিত করেছে। দেশের পুরোনো ফ্যাসিস্ট সিস্টেম পরিবর্তন করার জন্য এখন পর্যন্ত তাদের যে কার্যক্রম তা চলমান আছে।
তাকে আন্দোলন থেকে দূরে সরানোর জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভ্যারিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে ছাত্রদলের তকমা দিয়ে হুমকী দেওয়া হয়। তার পরেও এই বীর ছাত্র দেশের জাতীয় সার্থে এক পা পিছপা হয়নি।
শত বাধাবিপত্তিকে পাশ কাটিয়ে তিনি যেনো অদূর ভবিষ্যতে সাম্যের দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে আমরা এই প্রত্যাশা করছি।
মহেশখালোর মানুষের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি ❝ যদি কেউ বৈষম্যের শিকার হয় ন্যায় অধিকার আদায়ে তিনি তার সবটুকু নিয়ে পাশে দাঁড়াবেন। ❞
তাঁর কৃতিত্বের জন্য মহেশখালীবাসী উদ্বেলিত।মহেশখালী উপজেলার জন্য আকিব বিন তালেব আমাদের কাছে গর্বের জায়গা। তিনি আমাদের এই উপলব্ধি ধরে রাখবেন। মহেশখালীবাসীর পক্ষ থেকে তার জন্য সব সময় শুভকামনা।