
গত ৩১শে জানুয়ারি ২৫ইংরেজি স্বল্প সময়ের নোটিশে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের প্রায় ৪০জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এতে মহেশখালীর তুখোড় মেধাবী, দক্ষ ও শিক্ষার্থী বান্ধব ৩জন শিক্ষককেও চাকরী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন,
কাইসার মাহমুদ
শিক্ষক ; আরবী ভাষা ও সাহিত্য ।
তিনি হোয়ানক কালাগাজীরপাড়ার মৃত মাওলানা আবু তাহেরের সুযোগ্য সন্তান।
জুহাইর ফুরকান
শিক্ষক; আরবী ভাষা ও সাহিত্য ।
তিনি বড় মহেশখালীর মুন্সির ডেইল এলাকার মাওলানা ফুরকান খলীলের সুযোগ্য সন্তান।
এহতেশামুল হক
শিক্ষক; হাদীস বিভাগ।
তিনি বড় মহেশখালীর মুন্সির ডেইল এলাকার মৃত মাওলানা মাসরুর সাহেবের সুযোগ্য সন্তান।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের বক্তব্য হচ্ছে: কর্তৃপক্ষ তাদেরকে জানিয়েছেন তারা অবৈধ ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত, তাই তাদেরকে নতুনভাবে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। কিন্তু বিধি বাম! নতুন সার্কোলারের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ওনারা কওমী ব্যাকগ্রাউন্ডের হওয়ায় এবং নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সংশ্লিষ্ট না থাকার কারণে তাদেরকে আর চাকরী ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি। বৈষম্যহীন নতুন এই বাংলাদেশে এমন বৈষম্য মহেশখালীবাসী মেনে নিতে পারছে না। মহেশখালীবাসী এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে মহেশখালীর মেধাবী শিক্ষকদের পুনরায় তাদের চাকরী ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।